বুধবার, ০৩ জুন ২০২৬, ০৭:৪১ অপরাহ্ন

চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসে ৬ মাসে রেকর্ড প্রবৃদ্ধি অর্জন

বাংলা স্ক্রিন নিউজ ডেস্ক / ৮০ বার পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারি, ২০২৬

ট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আমদানি-রপ্তানি পণ্য চালানে কড়া নজরদারির কারণে শুল্ক ফাঁকির হারও কমে যায়। এতে রাজস্ব আদায় বাড়ে। অন্যদিকে চট্টগ্রাম বন্দরেও রেকর্ড কনটেইনার হ্যান্ডলিং হয়েছে, যা কাস্টম হাউসের রাজস্ব বাড়াতে ভূমিকা রেখেছে।

কাস্টম হাউসের রাজস্ব আদায়ের তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ১ লাখ ২ হাজার ২৯৫ কোটি টাকা। এর মধ্যে জুলাই থেকে ডিসেম্বরে আদায় হয়েছে ৩৮ হাজার ২ কোটি ৩৭ লাখ টাকা, যা এই ৬ মাসের লক্ষ্যমাত্রা ৪৬ হাজার ৩৬০ কোটি টাকা থেকে ৮ হাজার ৩৫৭ কোটি ৬৩ লাখ টাকা কম। লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় আদায় ১৮ দশমিক শূন্য ৩ শতাংশ কম। চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের কর্মকর্তারা বলছেন, ছয় মাসের রাজস্ব আদায় লক্ষ্যমাত্রার থেকে কম হলেও প্রবৃদ্ধি অর্জন হয়েছে। এটিই বড় অর্জন।

জানা গেছে, আগের বছরের ছয় মাসের সঙ্গে তুলনা করে প্রবৃদ্ধির হিসাব করা হয়। সে হিসাবে আগের বছরের একই সময়ের ছয় মাসের তুলনায় চলতি অর্থবছরের প্রথম ৬ মাসে ৭ দশমিক শূন্য ৬ শতাংশ বেশি রাজস্ব আদায় হয়েছে।

পরিসংখ্যানে দেখা যায়, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে রেকর্ড ৭৫ হাজার ৪৬২ কোটি টাকা রাজস্ব আদায় হয়। আগের অর্থবছরের তুলনায় রাজস্ব আদায়ে প্রবৃদ্ধি বাড়ে ৯ দশমিক ৭১ শতাংশ। এ ছাড়া ২০২৩-২৪ অর্থবছরে ৬৮ হাজার ৮৬৬ দশমিক ৫৮ কোটি টাকা, ২০২২-২৩ অর্থবছরে ৬১ হাজার ৩৫০ দশমিক ৪৪ কোটি টাকা, ২০২১-২২ অর্থবছরে ৫৯ হাজার কোটি, ২০২০-২১ অর্থবছরে প্রথমবারের মতো ৫১ হাজার কোটি রাজস্ব আদায় হয়।

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের পরিচালক ও মুখপাত্র ওমর ফারুক বলেন, ২০২৫ সালে চট্টগ্রাম বন্দর রেকর্ড পরিমাণ কনটেইনার হ্যান্ডলিং করেছে, যা কাস্টম হাউসের রাজস্ব আদায়ে বিরাট ভূমিকা রেখেছে। বন্দরে অটোমেশন সার্ভিস, ই-গেট পাস চালু, কনটেইনার অপারেটিং সিস্টেম আধুনিকায়নসহ বিভিন্ন অবকাঠামো উন্নয়নের মাধ্যমে বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধি করা হয়েছে।

পোশাকমালিকদের সংগঠন বিজিএমইর পরিচালক রাকিবুল আলম চৌধুরী বলেন, ‘বছরজুড়ে বিভিন্ন কারখানায় শ্রমিক অসন্তোষ, বন্দরের ট্যারিফ বিতর্ক, গণ-অভ্যুত্থানের কারণে পণ্য পরিবহন চ্যালেঞ্জিং ছিল। আমাদের নিজেদের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে কাজ করেছি। পণ্য যেকোনো উপায়ে বিদেশে পাঠাতে হয়েছে। এ জন্য অতিরিক্ত খরচ বহন করতে হয়েছে পোশাকশিল্প মালিকদের। এগুলোর ওপর ভর করে বন্দরের হ্যান্ডলিং ও কাস্টম হাউসে রাজস্ব আদায় বেড়েছে।’


এ বিভাগের আরো সংবাদ