শিরোনাম :
বার্ন ইনস্টিটিউটে অনিয়মের অভিযোগ: অস্তিত্বহীন পদে নিয়োগ, ক্রয়ে দুর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগে বিতর্কে পরিচালক কোয়ার্টার ফাইনালে কে কার মুখোমুখি, খেলা কবে এনসিপির সমাবেশে হামলার অভিযোগ, সংসদে আখতার হোসেন চট্টগ্রামে সর্বোচ্চ ৩৯৪ মিলিমিটার বৃষ্টি রেকর্ড মেসির জাদুতে মিশরকে ৩-২ গোলে হারিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে আর্জেন্টিনা অতিরিক্ত সময়ে রোমাঞ্চকর জয়, শেষ ষোলোতে আর্জেন্টিনা শিল্পী সমিতির নতুন নেতৃত্ব: জয়ী শিবা শানু–জয় চৌধুরী প্যানেল চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির ভোটযুদ্ধ আজ এখন সাইবার নিরাপত্তা বেশি গুরুত্বপূর্ণ: তথ্যমন্ত্রী ক্রোয়েশিয়াকে কাঁদিয়ে শেষ ষোলোয় পর্তুগাল
বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ০৩:০৩ পূর্বাহ্ন

প্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়া ও চীন সফর, গুরুত্ব পাবে যেসব বিষয়

বাংলা স্ক্রিন নিউজ ডেস্ক / ৭৫ বার পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : শনিবার, ২০ জুন, ২০২৬

বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথম বিদেশ সফরে যাচ্ছেন তারেক রহমান। রোববার (২১ জুন) দুই দেশ মিলিয়ে মোট ছয় দিনের সফরে ঢাকা ত্যাগ করবেন তিনি। সফরের প্রথমাংশে মালয়েশিয়া সফর শেষে তিনি চীনের উদ্দেশ্যে রওনা হবেন।

আগামী ২৩ থেকে ২৬ জুন প্রধানমন্ত্রী চীনে অবস্থান করবেন। দুই দেশে প্রধানমন্ত্রীর এই সফরকে কূটনৈতিকভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। বিশেষ করে মালয়েশিয়ার সফর থেকে বাংলাদেশের শ্রমবাজার নিয়ে বড় কোনো সুখবর আসতে পারে বলে ধারণা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানান, মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের আমন্ত্রণে কুয়ালালামপুর সফর করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সফরে দুই দেশের মধ্যে দুটি সমঝোতা স্মারক ও দুটি ‘নোট অব এক্সচেঞ্জ’ সই হতে পারে। রোববারই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে বসবেন। দুই দেশের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয় ছাড়াও বাণিজ্য নিয়ে আলোচনা হবে, যার মধ্যে অন্যতম আলোচনার বিষয় হিসেবে থাকবে হালাল পণ্য রফতানি।মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশ হাইকমিশনের এক কর্মকর্তা জানান, ‘বৈঠকে মূল আলোচনায় থাকবে শ্রমবাজার। নানা কারণে আমাদের এই গুরুত্বপূর্ণ শ্রমবাজারটি স্থবির হয়ে আছে। এই বৈঠক থেকে শ্রমবাজার সচল করার বিষয়ে একটা গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত আসতে পারে।’ এর আগে ২০২৫ সালের আগস্টে তৎকালীন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মোহাম্মদ ইউনূস মালয়েশিয়া সফর করেছিলেন। সে সময় বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার মধ্যে পাঁচটি সমঝোতা স্মারক এবং তিনটি ‘নোট অব এক্সচেঞ্জ’ স্বাক্ষরিত হয়েছিল।

দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ থাকা মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার প্রধানমন্ত্রীর এই সফরের মধ্য দিয়ে পুনরায় চালুর বিষয়ে বড় সুযোগ তৈরি হবে বলে আশা করছেন প্রবাসীরা। প্রবাসী কমিউনিটি নেতা ও মালয়েশিয়া বিএনপির সহ-সাধারণ সম্পাদক কাজী সালাহউদ্দিন বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের এই সফর কেবল কূটনৈতিক আনুষ্ঠানিকতা নয়; বরং মালয়েশিয়ায় বসবাসরত লাখো বাংলাদেশির দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণের একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ। প্রবাসীদের বিশ্বাস— শ্রমবাজার সম্প্রসারণ, সিন্ডিকেটমুক্ত কর্মী নিয়োগ, অনিয়মিত কর্মীদের বৈধতা এবং প্রবাসীবান্ধব নীতিমালার মাধ্যমে সফরটি দুই দেশের সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে।

বর্তমানে মালয়েশিয়ায় উল্লেখযোগ্য সংখ্যক বাংলাদেশি বিভিন্ন কারণে অনিয়মিত অবস্থায় রয়েছেন। কেউ নিয়োগকর্তার প্রতারণার শিকার হয়েছেন, আবার কেউ কর্মসংস্থানের সংকটে বৈধ অবস্থান হারিয়েছেন। কুয়ালালামপুরে বসবাসরত এক শ্রমিক বলেন, ‘বৈধ হওয়ার সুযোগ পেলে আমরা আরও বেশি আয় করতে পারবো এবং দেশে বেশি রেমিট্যান্স পাঠাতে পারবো। সফরে এ বিষয়ে ইতিবাচক আলোচনা হলে হাজারো পরিবার উপকৃত হবে।’ প্রবাসীদের আশা, দুই দেশের উচ্চ পর্যায়ের আলোচনার মাধ্যমে নতুন কোনো বৈধকরণ কর্মসূচি চালু হলে তা অনিয়মিত কর্মীদের জন্য বড় স্বস্তি বয়ে আনবে।


এ বিভাগের আরো সংবাদ