প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, আমাদের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নির্বাচনী ইশতেহারে যে ঘোষণা দিয়েছেন, আজকের এ কার্যক্রম তারই বাস্তব প্রমাণ। এ খাল খননের মাধ্যমে কতটা জমি নতুন করে চাষের আওতায় আনা সম্ভব, তা এখানে স্পষ্টভাবে বোঝা যাচ্ছে।
বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলার বলরামপুর সাহাপাড়ায় খাল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ তথ্য জানান।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান খাল খননের যে যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন, সে পথকে অনুসরণ করে এবার কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে। তিনি আরও বলেন, দেশের নদী, খাল ও জলাশয়কে পূর্ণাঙ্গভাবে খননের যে কর্মসূচি নেয়া হয়েছে, সেখানে দিনাজপুর জেলার কাহারোল উপজেলার প্রায় ১২ কিলোমিটার দীর্ঘ একটি খাল রয়েছে।
তিনি জানান, এ খালটি খনন করা হলে এ অঞ্চলের প্রায় ৬ হাজার বিঘা জমি চাষাবাদের আওতায় আসবে। এতে করে সেচ খরচ কমে গিয়ে কৃষি উৎপাদন বাড়বে এবং কৃষকরা সরাসরি উপকৃত হবেন।
ফরহাদ হোসেন আজাদ বলেন, অতীতে নদী ও খাল খননের ক্ষেত্রে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের মধ্যে সমন্বয়ের ঘাটতি ছিল। তবে সম্প্রতি একাধিক মন্ত্রণালয়কে নিয়ে একটি সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ওই সভায় সমন্বিতভাবে একটি টিম গঠন করে কাজ করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে, যাতে খনন করা খালগুলো ভবিষ্যতে পুনরায় ভরাট না হয়ে যায়। এ লক্ষ্যে খালপাড়ে বৃক্ষরোপণসহ প্রয়োজনীয় সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণের পরিকল্পনাও নেয়া হয়েছে।
এ সময় দিনাজপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য মনজুরুল ইসলাম, দিনাজপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী ফারুক হোসেন, দিনাজপুরের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট নুর-ই আলম সিদ্দিকী, দিনাজপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম) আনোয়ার হোসেন, কাহারোল উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. গোলাম মোস্তফা বাদশা ও সাধারণ সম্পাদক প্রভাষক মো. শামীম আলী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।