শিরোনাম :
গণভোটের রায় বাস্তবায়নে ঢাকায় ১১ দলের মহাসমাবেশের ডাক জ্বালানি তেলের কৃত্রিম সংকট: কয়েক মাইলজুড়ে লাইন, নগরজুড়ে তীব্র যানজট আজ ‘স্বাধীনতা পুরস্কার-২০২৬’ প্রদান করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ‘সংস্কৃতি হলো একটি জাতির আত্মা’ : সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী ১৭ এপ্রিল হজ ফ্লাইট শুরু, উদ্বোধনে প্রধানমন্ত্রী রাজধানীতে জামায়াতের বৈশাখী শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় দফা যুক্তরাষ্ট্র–ইরান বৈঠক আয়োজনের উদ্যোগ পাকিস্তানের আবেগের বশে বিয়ে করা ছিল জীবনের ভুল সিদ্ধান্ত: অপু বিশ্বাস কৃষকদের আত্মনির্ভরশীল ও স্বচ্ছল করতেই কৃষক কার্ড : প্রধানমন্ত্রী আসছে সেলিম রেজা পরিচালনায় ‘ফিরতে তোমায় সাধবো না আর’
শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:৫৪ অপরাহ্ন

পহেলা বৈশাখ আমাদের আত্মপরিচয়ের এক অনন্য প্রতীক : প্রধানমন্ত্রী

বাংলা স্ক্রিন নিউজ ডেস্ক / ২২ বার পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : সোমবার, ১৩ এপ্রিল, ২০২৬

মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) ‘পহেলা বৈশাখ বাংলা নববর্ষ’ উপলক্ষে সোমবার দেওয়া এক বাণীতে তিনি পহেলা বৈশাখ, বাংলা নববর্ষের প্রথম দিন, দেশবাসীসহ বিশ্বের সকল বাংলাভাষী মানুষকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান। তিনি বাংলা ১৪৩২ সালকে বিদায় জানিয়ে বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩-কে স্বাগত জানান।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘পহেলা বৈশাখের সঙ্গে আমাদের এ অঞ্চলের কৃষি, প্রকৃতি এবং কৃষিভিত্তিক অর্থনৈতিক কার্যক্রমের সম্পর্ক নিবিড়। তথ্যপ্রযুক্তির এই সুবর্ণ সময়েও প্রকৃতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখেই কৃষক তাঁর ফসল উৎপাদনের দিনক্ষণ ঠিক করে। বাংলার হাজার বছরের ঐতিহ্য, লোকজ সংস্কৃতি, কৃষ্টি ও মূল্যবোধের ধারাবাহিকতা পহেলা বৈশাখের মাধ্যমে নতুন করে উজ্জীবিত হয়।’

তিনি বলেন, বৈশাখি মেলা, বৈশাখি শোভাযাত্রা, হালখাতার মতো ঐতিহ্যবাহী আয়োজন আমাদের সংস্কৃতির বহুমাত্রিক সৌন্দর্যকে তুলে ধরে এবং আমাদেরকে ঐক্যবোধে উজ্জীবিত করে। বাংলা নববর্ষ আমাদের সামনে এনেছে নতুন প্রত্যাশা ও নতুন সম্ভাবনা। প্রকৃতির নবজাগরণ আর মানুষের অন্তরের আশাবাদ মিলেমিশে সৃষ্টি করে এক প্রাণবন্ত উৎসবমুখর পরিবেশ।প্রধানমন্ত্রী বলেন, দীর্ঘ দেড় দশকের ফ্যাসিবাদী শোষণ-শাসনের অবসানের পর গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত জাতীয় নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে যাত্রা শুরু করে নতুন গণতান্ত্রিক সরকার। দায়িত্ব নিয়েই এই সরকার রাষ্ট্র এবং সমাজের সব শ্রেণি-পেশার মানুষের জীবনমান উন্নয়নে বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন শুরু করেছে।

তিনি জানান, নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে সরকার ইতোমধ্যেই ফ্যামিলি কার্ড, ক্রীড়া কার্ড, খাল খনন কর্মসূচি চালু, ইমাম, মুয়াজ্জিন, খতিব এবং অন্য ধর্মের ধর্মগুরুদের জন্য আর্থিক সহায়তা কর্মসূচি চালু করেছে। কৃষক, কৃষি এবং কৃষি অর্থনীতির সঙ্গে সম্পর্কিত বাংলা নববর্ষের প্রথম দিন থেকে শুরু হলো কৃষক কার্ড প্রদান কর্মসূচি। আগামী দিনগুলোতে এই কৃষক কার্ড বাংলাদেশের কৃষক এবং কৃষি অর্থনীতিতে যুগান্তকারী ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবে—বাংলা নববর্ষে এটিই হোক আমাদের প্রত্যয় ও প্রত্যাশা।

তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, বাংলাদেশের জনগণের যার যার ধর্মীয় ও সামাজিক মূল্যবোধ এবং সংস্কৃতির অন্তর্নিহিত সহনশীলতা, উদারতা ও সম্প্রীতির চর্চা গণতন্ত্রকে আরও শক্তিশালী করবে এবং বহুমতের সহাবস্থানকে সুদৃঢ় করবে। বিশ্ব আজ নানা সংকট ও সংঘাতে বিপর্যস্ত। এই প্রেক্ষাপটে শান্তি, সহমর্মিতা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের চর্চা আরও জরুরি হয়ে উঠেছে। নববর্ষের এই শুভক্ষণে আমরা যেন সংকীর্ণতা ও স্বার্থপরতার ঊর্ধ্বে উঠে মানবকল্যাণের পথ অনুসরণ করি—এই হোক আমাদের অঙ্গীকার। নতুন বছরের প্রথম প্রভাতে আমরা অতীতের সব হতাশা ও সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে নতুন উদ্যমে এগিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, নববর্ষ সবার জীবনে বয়ে আনুক সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি। দেশবাসীকে তিনি আবারও আন্তরিক শুভেচ্ছা জানান।


এ বিভাগের আরো সংবাদ