বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত ‘ইসলামী ব্যাংকিংয়ের বর্তমান পরিস্থিতি, চ্যালেঞ্জ ও ভবিষ্যৎ করণীয়’ শীর্ষক মতবিনিময় সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
সভায় বাংলাদেশ ব্যাংকের ইসলামী ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত ডেপুটি গভর্নর, নির্বাহী পরিচালক, পরিচালক ও কর্মকর্তাদের পাশাপাশি নবগঠিত বাংলাদেশ ব্যাংক শরিয়াহ অ্যাডভাইজরি বোর্ডের সদস্য, দেশের প্রায় সব ইসলামী ব্যাংকের শরিয়াহ বোর্ডের চেয়ারম্যান ও সদস্যরা অংশ নেন। এছাড়া খ্যাতিমান দাঈ, আলেম, শিক্ষাবিদ ও বিভিন্ন শ্রেণির আলেম-উলামাও সভায় উপস্থিত ছিলেন।
অতীতে তদারকির ঘাটতির কথা স্বীকার
স্বাগত বক্তব্যে গভর্নর বলেন, অতীতে ইসলামী ব্যাংকিং খাতের কয়েকটি প্রতিষ্ঠানে অর্থপাচারের ঘটনা ঘটেছে। এর অন্যতম কারণ ছিল যথাযথ তদারকির অভাব।
তিনি বলেন, ইসলামী ব্যাংকিং মূলত পণ্যভিত্তিক বা অ্যাসেট-ব্যাকড কাঠামোর ওপর পরিচালিত হওয়ার কথা। এই কাঠামো যথাযথভাবে বাস্তবায়িত হলে বড় ধরনের ক্ষতির সম্ভাবনা কম থাকার কথা। কিন্তু বাস্তবে কিছু ক্ষেত্রে ক্ষতি হয়েছে; যা গভীরভাবে পর্যালোচনার বিষয়।
গভর্নর আরও বলেন, ইসলামী ব্যাংকিং ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করতে শরিয়াহ বোর্ডকে ক্ষমতায়ন করা জরুরি। তাদের সিদ্ধান্ত ও দিকনির্দেশনাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে। এর মাধ্যমে কার্যকর তদারকি নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।