শনিবার সকাল সাড়ে ৮টায় সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণে এই জামাত অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) জানিয়েছে, ঈদগাহের সব প্রস্তুতি ইতিমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। ২০০০ সাল থেকে সংস্থাটি এই ঈদগাহের ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব পালন করছে।
আয়োজকেরা জানান, মূল প্যান্ডেলে ১২১টি কাতারে একসঙ্গে প্রায় ৩৫ হাজার মুসল্লি নামাজ আদায় করতে পারবেন। এর মধ্যে প্রায় ৩১ হাজার পুরুষ ও সাড়ে ৩ হাজার নারী। প্যান্ডেল পূর্ণ হয়ে গেলে আশপাশের সড়ক ও খোলা জায়গা মিলিয়ে প্রায় এক লাখ মুসল্লির অংশ নেওয়ার সুযোগ থাকবে।
প্রটোকল অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, প্রধান বিচারপতি, মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, কূটনীতিকসহ প্রায় ৩৩০ জন ভিআইপির জন্য আলাদা ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। তাদের মধ্যে ২৫০ জন পুরুষ ও ৮০ জন নারী।
জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের খতিব মুফতি আব্দুল মালেক এই জামাতে ইমামতি করবেন।
বৈরী আবহাওয়ার আশঙ্কায় প্যান্ডেলে প্রায় ১ হাজার ৯০০টি ত্রিপল টানানো হয়েছে। নারী ও পুরুষের জন্য আলাদা ওজুখানাও প্রস্তুত করা হয়েছে।
তবে প্রস্তুতির একেবারে শেষ পর্যায়ে এসে বৈরী আবহাওয়া ও বৃষ্টির পূর্বাভাস কিছুটা শঙ্কার জন্ম দিয়েছে। বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের সর্বশেষ বুলেটিন অনুযায়ী, বর্তমানে লঘুচাপের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। অন্যদিকে, মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে।বাংলাদেশ ভ্রমণ
ঈদের দিন অর্থাৎ শনিবার (২১ মার্চ) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, ঢাকা, রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝড়ো হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সাথে কোথাও কোথাও বিক্ষিপ্তভাবে শিলাবৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এ ছাড়া এদিন সারা দেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
আজ দুপুরে শুরু হওয়া গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টিতে রোদ ও বৃষ্টি থেকে রক্ষায় ত্রিপল বিছানো হলেও প্যান্ডেলের কাঠামোর মাঝখানের ফাঁকা জায়গা দিয়ে গড়িয়ে বৃষ্টির পানি ভেতরে পড়তে দেখা যায়। কার্পেটগুলো যাতে ভিজে নষ্ট না হয়, সে জন্য পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের তড়িঘড়ি করে তা গুটিয়ে নিতে দেখা গেছে। ভারী বৃষ্টি বা শিলাবৃষ্টি হলে ঈদগাহের নিচু জায়গাগুলো পানিতে তলিয়ে যাওয়ার প্রবল শঙ্কা রয়েছে।