বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) সূত্রে জানা যায়, দেশে বছরে জ্বালানি তেলের মোট চাহিদা প্রায় ৭৫ লাখ টন। এর মধ্যে প্রায় ৭৫ শতাংশই ডিজেল, যা মূলত কৃষি সেচ, পরিবহন ও জেনারেটরে ব্যবহৃত হয়। বাকি ২৫ শতাংশ চাহিদা পূরণ হয় পেট্রোল, অকটেন, কেরোসিন, জেট ফুয়েল ও ফার্নেস অয়েল দিয়ে।
বিপিসি সূত্র আরও জানায়, অকটেন ও পেট্রোল বিক্রিতে সংস্থাটি সাধারণত লাভবান হয়ে থাকে। আগে জেট ফুয়েল ও ফার্নেস অয়েলের দাম নিয়মিত সমন্বয় করলেও বর্তমানে এসব জ্বালানির দাম প্রতি মাসে সমন্বয় করছে বিইআরসি। আর ডিজেল, কেরোসিন, পেট্রোল ও অকটেনের দাম নির্ধারণ করে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ।
জ্বালানি বিভাগ জানায়, প্রতিবেশী দেশ ভারতসহ উন্নত বিশ্বের অনেক দেশেই প্রতি মাসে জ্বালানির দাম সমন্বয় করা হয়।
উল্লেখ্য, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) ঋণের শর্ত অনুযায়ী গত বছরের ২৯ ফেব্রুয়ারি দেশে জ্বালানি তেলের স্বয়ংক্রিয় মূল্য নির্ধারণ পদ্ধতি চালু করা হয়। এই পদ্ধতির ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে দাম কমলে দেশের বাজারেও কমে এবং বাড়লে দেশের বাজারেও দাম বৃদ্ধি পায়।