বুধবার, ০৩ জুন ২০২৬, ০৬:৫৫ অপরাহ্ন

নতুন দামে বিক্রি হচ্ছে জ্বালানি তেল, কোন তেলের লিটার কত?

বাংলা স্ক্রিন নিউজ ডেস্ক / ১০৭ বার পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : রবিবার, ১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

বিশ্ববাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ফেব্রুয়ারি মাসের জন্য ডিজেল, কেরোসিন, পেট্রোল ও অকটেনের দাম লিটারে ২ টাকা করে কমিয়েছে সরকার।নতুন এই মূল্য আজ রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) থেকে কার্যকর হয়েছে।

শনিবার (৩১ জানুয়ারি) রাতে এ বিষয়ে একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের জ্বালানি বিভাগ।
নতুন দামে ফেব্রুয়ারি মাসে প্রতি লিটার ডিজেল ১০০ টাকা, কেরোসিন ১১২ টাকা, পেট্রোল ১১৬ টাকা এবং অকটেন ১২০ টাকায় বিক্রি হবে।
জানা গেছে, আন্তর্জাতিক বাজারের দামের সঙ্গে সামঞ্জস্য রাখতে গত বছরের মার্চ মাস থেকে জ্বালানি তেলের স্বয়ংক্রিয় মূল্য নির্ধারণ পদ্ধতি চালু করেছে সরকার। এর আওতায় প্রতি মাসেই নতুন করে জ্বালানি তেলের দাম ঘোষণা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে মিল রেখে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) প্রতি মাসে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) এর দামও নির্ধারণ করছে।

বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) সূত্রে জানা যায়, দেশে বছরে জ্বালানি তেলের মোট চাহিদা প্রায় ৭৫ লাখ টন। এর মধ্যে প্রায় ৭৫ শতাংশই ডিজেল, যা মূলত কৃষি সেচ, পরিবহন ও জেনারেটরে ব্যবহৃত হয়। বাকি ২৫ শতাংশ চাহিদা পূরণ হয় পেট্রোল, অকটেন, কেরোসিন, জেট ফুয়েল ও ফার্নেস অয়েল দিয়ে।
বিপিসি সূত্র আরও জানায়, অকটেন ও পেট্রোল বিক্রিতে সংস্থাটি সাধারণত লাভবান হয়ে থাকে। আগে জেট ফুয়েল ও ফার্নেস অয়েলের দাম নিয়মিত সমন্বয় করলেও বর্তমানে এসব জ্বালানির দাম প্রতি মাসে সমন্বয় করছে বিইআরসি। আর ডিজেল, কেরোসিন, পেট্রোল ও অকটেনের দাম নির্ধারণ করে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ।
জ্বালানি বিভাগ জানায়, প্রতিবেশী দেশ ভারতসহ উন্নত বিশ্বের অনেক দেশেই প্রতি মাসে জ্বালানির দাম সমন্বয় করা হয়।
উল্লেখ্য, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) ঋণের শর্ত অনুযায়ী গত বছরের ২৯ ফেব্রুয়ারি দেশে জ্বালানি তেলের স্বয়ংক্রিয় মূল্য নির্ধারণ পদ্ধতি চালু করা হয়। এই পদ্ধতির ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে দাম কমলে দেশের বাজারেও কমে এবং বাড়লে দেশের বাজারেও দাম বৃদ্ধি পায়।


এ বিভাগের আরো সংবাদ